1. me@dailyjagrotodesh.com : দৈনিক জাগ্রতদেশ : dailyjagrotodesh.com dailyjagrotodesh.com
  2. dailyjagrotodesh@gmail.com : দৈনিক জাগ্রতদেশ :
শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ০১:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জগন্নাথপুরে ঝুকিতে জগদীশপুর গ্রামের খালের সেতু ঘটতে পারে দুর্ঘটনা দুুমকিতে ইউপি ভবন নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন।  মসজিদ প্লাবিত হওয়ায় নামাজ আদায় করতে পারছেননা মুসল্লীরা জগন্নাথপুর থানা পুলিশের উদ্যোগে ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ সামগ্রী বিতরন বিএনপিতে নতুন পদ পেলেন ৩৯ জন দুমকিতে ঈদ উল আযহা ঘনিয়ে আসায় জমতে,শুরু করেছে পশুর হাট বাড়ছে ক্রেতা সমাগম। ঈদের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে জমতে শুরু করেছে পশুর হাট বাড়ছে ক্রেতা সমাগম জগন্নাথপুর সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের পুরাতন মালামাল গোপনে বিক্রি, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ  বজ্রপাত আতঙ্কে গ্রামীন জনজীবনে ঝুকি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন দুমকিতে কাওসার, আমিন হাওলাদার কাপ পিরিচ’র বিজয়,, অবাধ, সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।
বিঙ্গাপন:
তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর, সারাদেশে ডিলার নিয়োগ দিচ্ছে মিয়া কেমিক্যাল কোম্পানি!!! সারাদেশের প্রতিটি জেলা উপজেলায় শূন্যস্থানে সংবাদ প্রতিনিধি সাংবাদিক নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা পোস্টের নাম উল্লেখ করে সিভি পাঠান dailyjagrotodesh@gmail.com

জগন্নাথপুরে ছমির উদ্দিন এর বিরুদ্ধে নদী দখলের সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকে আক্রমন

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৩

জগন্নাথপুর সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

জগন্নাথপুরে আওয়ামীগ নেতা ছমির উদ্দিন এর বিরুদ্ধে নদী দখলের নিউজ প্রকাশিত হওয়ায় আজ পরিকল্পনামন্ত্রীর এক অনুষ্ঠান শেষে জগন্নাথপুরের কলকলিয়া বাজারে সাংবাদিক মোঃ হুমায়ুন কবির ফরিদীকে ছমির উদ্দিন সহ তার লোকজন আক্রমনাত্বক কথাবার্তা বলে অপদস্ত করেন।
প্রসঙ্গতঃ জগন্নাথপুরে আওয়ামী লীগ নেতা ছমির উদ্দিন ঢালিয়া নদীর গরমতলা ডহর ( বদ্ধ জলাশয়) নামক নদীর বিশাল অংশ দখল করে দীর্ঘদিন ধরে মৎস্য আহরন করে আসছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে আশ্রয়ণ প্রকল্পবাসী পরিকল্পনা মন্ত্রী বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন।
অভিযোগ পত্র সুত্রে জানাযায়, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত বালিকান্দী মোকামপাড়া গ্রাম নিবাসী কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ ছমির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে খাস খতিয়ান ভূক্ত ঢালিয়া নদীর গরমতলা ডহর এর বিশাল অংশে মাটির বাঁধ দিয়ে দখল করে নানা কৌশলে মৎস্য আহরন করে আসছেন। এই ডহরের তিন পাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার স্বরূপ আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে বসবাসকারীরা এই ডহরে মাছ আহরণের প্রস্তুতি নিলে নদী খেকো ছমির উদ্দিন বাঁধা প্রদান করেছেন। এমনকি তিনি আশ্রয়ণ প্রকল্পবাসীকে নানাভাবে হুমকি-দামকি দিয়ে আসছেন যাতে আশ্রয়ণ প্রকল্পবাসী খাস খতিয়ান ভূক্ত ঢালিয়া নদীর এই গরমতলা ডহরে মাছ আহরণ কিংবা ব্যবহার না করে। ছমির উদ্দিন এর হুমকি -দামকীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারী অধিকাংশ পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে ও নদী খেকো জবরদখলকারী ছমির উদ্দিন কাছ থেকে এই ঢালিয়া নদীর গরমতলা ডহর উদ্ধার এর জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পবাসী চলতি আগষ্ট মাসের ২৯ তারিখ দিবাগত রাতে পরিকল্পনা মন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান মহোদয় বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে বসবাসকারী ৩৩ জন স্বাক্ষরিত অভিযোগ পত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে। ৩০ শে আগষ্ট রোজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় ও জানাযায়, ঢালিয়া নদীর গরমতলা ডহর এর বিশাল একটি অংশ ( মৌজা কলকলিয়া, খতিয়ান নং-১, দাগ- ৪১৯,জেএল নং-১৮) মাটির বাঁধ দিয়ে পুকুরের মতো করা হয়েছে এবং বাঁধের চারপাশে গাছ লাগানো রয়েছে। খাস খতিয়ান ভূক্ত এই অংশটি দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ কৌশল অবলম্বন করে ছমির উদ্দিন ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি এই গরমতলা ডহর এলাকার আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারী ৩৫/৪০ টি পরিবার ডহরটি ব্যবহার করতে চাইলে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারী সুবিধাভোগী ১০/১২ জনকে সাথে নিয়ে ছমির উদ্দিন বাঁধা প্রদান করেছেন। এ নিয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পবসাী ও ছমির উদ্দিন গংদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোনো মুহূর্তে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে।
এ ব্যাপারে এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে বসবাসবাসকারী ইকবাল হোসেন, আব্দুল বারীক, আব্দুল মান্নান, আব্দুল হামিদ, আনহার, আনছার ও আফিয়া বেগম সহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, অনুমানিক ১৫/২০ বছর ধরে ছমির উদ্দিন খাস খতিয়ান ভূক্ত ঢালিয়া নদীর গরমতলা ডহর এর ৪/৫ কোদার এড়িয়ায় মাটির বাঁধ দিয়ে মাছ আহরণ সহ ভোগ দখল করে আসছেন। সম্প্রতি এই ডহরে আমরা গরীব অসহায় আশ্রয়ণ প্রকল্পবাসী মাছ চাষ, মাছ আহরণ সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করতে চাইলে ছমির উদ্দিন আমাদেরকে এই ডহর ব্যবহার করতে বাঁধা প্রদান করেছেন। এমনকি এই ডহর ব্যবহার না করতে হুমকি প্রদান করছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তারা আরো বলেন, তিনি নিজ স্বার্থ হাসিলের তাগিদে অর্থাৎ ছমির উদ্দিন দখলকৃত অংশটি নিজ আয়ত্তে রাখতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কয়েকজন স্বার্থান্বেষীকে নিয়ে এই গরমতলা ডহরটি ভোগদখল এর পায়তারা করছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এর জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান মহোদয় এর নিকট লিখিত আবেদন করেছি। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে একান্ত আলাপকালে ছমির উদ্দিন বলেন, আমি বালিকান্দী মোকামপাড়ায় আসার পর থেকে গরমতলা ডহর এর একটি অংশে বাঁধ দিয়ে পুকুর মতো করে ভোগদখল করে আসছি। এমনকি গাছপালা লাগিয়েছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, এইটা খাস খতিয়ান ভূক্ত। গুচ্ছ গ্রামবাসী ভোগ চাইলে আমার কোনো আপত্তি নেই।
এ ব্যাপারে কলকলিয়া ও বালিকান্দী গ্রাম এর একাধিক ব্যক্তি একান্ত আলাপকালে বলেন, দীর্ঘ প্রায় ২০/২৫ বছর ধরে ছমির উদ্দিন খাস খতিয়ান ভূক্ত ঢালিয়া নদীর গরমতলা ডহর এর একাংশ বাঁধ দিয়ে ভোগদখল করে আসছেন। তিনি এখান থেকে লাখ লাখ টাকা উপার্জন করেছেন এবং করছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তারা আরো বলেন, আমরা জানতে পেরেছি ছমির উদ্দিন নিজ স্বার্থ হাসিলের তাগিদে আশ্রয়ণ প্রকল্পের নাম ভাঙ্গিয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১০/১২ জনকে সাথে নিয়ে এই নদীর ডহরটি ভোগদখল করার চেষ্টা করছেন। এনিয়ে ছমির গংগণ ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের বেশীর ভাগ মানুষ এর মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোনো মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে। বিধায় এব্যাপারে তরিত গতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান মহোদয় এর সুদৃষ্টি কামনা করছেন এলাকার সচেতন মহল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক জাগ্রতদেশ ২০২৩-২০২৪
Theme Customized By BreakingNews